একটি প্যানপ্যানানি কবিতা
অমলেন্দু ঠাকুর
কখনো তুমি ছলাৎ ছলাৎ জল,
অমলেন্দু ঠাকুর
কখনো তুমি ছলাৎ ছলাৎ জল,
কখনো
তুমি বুদবুদ, কখনো বা জমে দই।
তোমার
গোমড়া মুখে হাসি ফোটা , এবং
বাব্ল
ফাটা র মধ্যে অদ্ভুত মিল, দুটোই বড়
নিঃশব্দে
হয়।
বাতাস
বয় শন শন শব্দে...শন শন করে যায় গুন্তি
হইতে
নির্গত তীর। পার্থক্য শুধু এই বাতাস হৃদয় ছোঁয় না,
তীর
হৃদয় ছোঁয় , শুধু স্পর্শ করে না, বিদীর্ণ করে দিয়ে যায়।
লিখে
দিয়ে যায় রক্তাক্ত অক্ষরে ‘আমি তোমাকে ভালবাসি’।
তুমি
গোঁসা করলে , ঘরপোরা গরু সিঁদুরে মেঘ দেখে,
হিরোসীমা
নাগাসাকি বলে, আমাদের পাতালে পাঠিয়ে দাও।
তোমার
অতীব ক্রোধ হয়ত এই বিশ্বব্রম্মান্ড কে কৃষ্ণগহ্বর এর চোরাস্রতে
টেনে নিয়ে যেতে পারে, তাই তো আমি বাব্ল ফাটা দেখতে
ভালবাসি।
মুক্তি , ওরে মুক্তি কোথায় পাবি, মুক্তি কোথায় আছে...
মুক্তি ত আমি চাই না, আমি চাই মুক্তো,
তোমার হাসিতে যে মুক্তো ঝরে,সে মুক্তো না,
আমি চাই সেই মুক্তো যা পাওয়া যায় ঝিনুকের উদর নিংড়ে,
যার বিনিময়ে পাওয়া যায় শত সহস্র ডলার এর মোড়ক,
আর সেই মোড়কের কেন্দ্রবিন্দুতে চুপটি করে বসে থাকব আমি,
নিশ্চিন্তে নিভৃতে !
No comments:
Post a Comment